ঘুষের অভিযোগে দলিল জালিয়াতি: পূবাইলে সাংবাদিকের জমি অন্যের নামে দলিল!
গাজীপুরের পূবাইল এলাকায় এক সাংবাদিকের জমি ঘিরে গুরুতর জালিয়াতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, টঙ্গী সাব-রেজিস্টার অফিসের দলিল লেখক শ্রী নিরঞ্জন চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে অন্যের জমি অন্যের নামে দলিল করে দেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে।ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুরের পূবাইল নয়নীপাড়া এলাকার ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক সূর্য আহমেদ মিঠুন অভিযোগ করেন, দলিল লেখক নিরঞ্জন চন্দ্র দাস, তার ভাই বাদল, হুমায়ুন কবির, তার ছেলে হাসান কবিরসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র তার জমি অন্যের নামে দলিল করে দেয়। অভিযুক্তদের মাধ্যমে ভূমিদস্যু ও উত্তরার মাইলস্টোন কলেজের দালাল কর্মী হিসেবে পরিচিত মেজবাউদ্দিন মোল্লার নামে ওই জমির দলিল তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সাংবাদিক সূর্য আহমেদ মিঠুন জানান, তার ১৯৯১ সালের মূল বায়া দলিলের সঙ্গে ১৫৬ নম্বর পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলের কোনো মিল নেই। তবুও কীভাবে এই দলিল তৈরি হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তার দাবি, মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়েই এই দলিলটি তৈরি করা হয়েছে।এই ঘটনার কারণে গত প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি ভোগান্তির শিকার বলে জানান। তিনি সংশ্লিষ্ট দলিল লেখক নিরঞ্জন চন্দ্র দাসের সর্বোচ্চ শাস্তি ও তার লাইসেন্স বা সনদ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, নিরঞ্জন চন্দ্র দাস দীর্ঘদিন ধরে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন মানুষের জমি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি করছেন এবং এক ব্যক্তির জমি অন্যের নামে দলিল করে দেওয়ার মতো অভিযোগ তার বিরুদ্ধে একাধিকবার উঠেছে।এলাকাবাসীর দাবি, যদি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার ব্যাংক হিসাব ও সম্পদের উৎস তদন্ত করে, তাহলে অসংগতি ও অবৈধ সম্পদের তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।