মুখে মধু আর অন্তরে বিষ..
ভ্রমণ ভিসা পুনরায় চালু আর কলকাতার ব্যবসায়ীদের মিষ্টি বিতরণের আবরণে লুকিয়ে আছে
কোন দুরভিসন্ধি ?
বর্ণবাদী,মুসলিম বিদ্বেষী ও আধিপত্যবাদী ঐ দেশের প্রতিটি পদক্ষেপের আড়ালে থাকে এক অদৃশ্য দুরভিসন্ধি।তাই আপাতদৃষ্টিতে ভ্রমণ ভিসা চালু করার সিদ্ধান্ত প্রশমংসনীয় হলেও,তার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে পশ্চিম বাংলা,তথা সমগ্র ভারতের ব্যবসা বানিজ্য এবং সার্বিক অর্থনীতিতে বর্তমান খরা অবস্থা দুর করার নিমিত্তে বাংলাদেশীদের কাছ হতে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে লাভবান হওয়া।
এছাড়া অপেক্ষাকৃত উন্নত চিকিৎসা লাভের সুযোগ থেকে বাংলাদেশী নাগরিদের বিরত রাখা এবং দেশের অভ্যন্তরে আধুনিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলা নিরুৎসাহিত করাও শত্রুভাবাপন্ন ঐ দেশটির অশুভ মহাপরিকল্পনার অন্তর্ভূক্ত।
কয়লা ধুলে যায় না ময়লা।তাই মুখে মধু,অন্তরে বিষ লালন করা শত্রুভাবাপন্ন ঐ দেশের সরকার ও জনগণের মিষ্টি আবরণে প্রদত্ত কোন আশ্বাশই বিশ্বাসযোগ্য নয়।
পাকিস্তান,তুরষ্ক,চিনসহ প্রাচ্যের অনেক দেশেই সাধারন ভ্রমণ,চিকিৎসা এবং কেনাকাটা যে ভারতের তুলনায় অনেক সহযলোভ্য ও অধিকতর উন্নত,তা এরই মাঝে সুনিশ্চতভাবে প্রমাণিত।আর তাই ইতিমধ্যে বাংলাদেশের অশংখ্য চিকিৎসাপ্রার্থী ভারত ত্যাগ করে ঐসব দেশ হতে সুচিকিৎসা লাভ শেষে সন্তুষ্ট চিত্তে দেশে ফিরে এসেছেন।
তাই আগ্রাসী ও লূন্ঠনকারী ভারতের প্রলুব্ধকর ফাঁদে পা না দিয়ে ভারত সরকার এবং মানুষদের হাতে নিগৃহীত না হয়ে আত্মমর্যাদা এবং আপোষহীন দেশপ্রেমের পরিচয় দেওয়া প্রতিটি স্বাধীনচেতা ও দেশপ্রেমিক নাগরিকের অপরিহার্য ও পবিত্র দায়িত্ব।