fbpx
হোম ক্রীড়া শ্রীলঙ্কায় জুয়ার আসরে সুজন,ভিডিও ভাইরাল
শ্রীলঙ্কায় জুয়ার আসরে সুজন,ভিডিও ভাইরাল

শ্রীলঙ্কায় জুয়ার আসরে সুজন,ভিডিও ভাইরাল

0

জাতীয় দলের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে গেছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। সেখানে তার দলের পারফরম্যান্স যাচ্ছেতাই! তিন ম্যাচ সিরিজের এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে লঙ্কানরা। এতে টানা ৪৪ মাস পর ঘরের মাটিতে সিরিজ জিতলো তারা। একইসঙ্গে বাংলাদেশ দল এখন লঙ্কাওয়াশের শঙ্কায়।

আর এমন সময় খবর আসলো, কলম্বোর একটি জুয়ার আসরে (ক্যাসিনোতে) গিয়েছিলেন কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। ক্যাসিনোতে সুজনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছ এরিমধ্যে। তাতে দেখা যায়, সুজন নিজের এটিএম কার্ড দিচ্ছেন ক্যাসিনোর এক নারী ওয়েটারকে। সেখানে সুজনের সাথে দেখা গেছে আরো বেশকিছু মানুষকে।

ক্যাসিনোতে যাওয়ার কথা পরে নিজেই স্বীকার করেছেন সুজন। তবে জুয়া খেলতে নয়, সেখানে তিনি খাওয়ার জন্য গিয়েছিলেন বলে জোর দাবি করেছেন। দৈনিক ‘কালের কণ্ঠ’র সঙ্গে আলাপে এ দাবি করেন তিনি।

প্রতিবেদক তাকে বলেন, আপনার ব্যক্তিগত একটি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করতে চাই

প্রশ্নটি শেষও করতে না দিয়েই খালেদ মাহমুদ পাল্টা জানতে চান, ওই ক্যাসিনোর ভিডিও নিয়ে তো

তিনি বলেন, আমার এক বন্ধুকে নিয়ে সেখানে গিয়েছিলাম। ক্ষুধা পেয়েছিল বলে সেখানে যাই খাওয়ার জন্য। ক্যাসিনোতে শুধু কার্ড খেলা হয় না, খাবারও পাওয়া যায়। সে কারণেই ওখানে যাই।

কিন্তু ওখানকার ভিডিও কেউ মোবাইলে ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়। এরপরই ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। তবে তাতে বিচলিত নন খালেদ মাহমুদ, আমি জানি, আমি কেন সেখানে গিয়েছিলাম। কার্ড খেলার তো প্রশ্নই ওঠে না। বাংলাদেশ জাতীয় দলের সিরিজ চলছে; কোচ হিসেবে আমার সমস্ত মনোযোগ সেখানে। ক্যাসিনোতে এক বাঙালি ছিলেন। তিনি আমার কাছে কার্ড চাইলে তাকে কার্ডও দিই। ব্যস, এইটুকুই। এখন এ নিয়ে যদি ফেসবুকের মতো জায়গায় আলোচনা-সমালোচনা হয়, তাতে আমার কী করার আছে?

২০১৫ সালেও ক্যাসিনো-বিতর্কে জড়িয়েছেন সুজন। সেবার বাংলাদেশ দলের ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। শ্রীলঙ্কার কাছে হতাশাজনক হারের পর ক্যাসিনোতে গিয়েছিলেন তিনি। তখন বেসরকারি এক চ্যানেলকে ক্যাসিনোতে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছিলেন সুজন।

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *