লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এলডিপির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রমের বিবৃতি
৯ মে শুক্রবার আনুমানিক বেলা ২.৩০ ঘটিকায় পল্লবী থানা এলডিপির সভাপতি বিল্লাল হোসেনকে পল্লবী থানাধীন মীরপুর ১১, বাউনিয়াবাদ, ১৪ তলা, ৫ নং বিল্ডিংয়ের ভাড়াবাসার নিচতলা লিফটের সামনে অবস্থানকালে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করে। ঘটনাস্থল থেকে জনতা একজন ঘাতককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
আমরা এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা প্রকাশ করছি এবং অনতিবিলম্বে জড়িত আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি। আওয়ামী সন্ত্রাসী ও লুটেরা বাহিনী দিনের আলোয় প্রকাশ্যে হত্যাকাণ্ড চালানোর এই দুঃসাহস কোথা থেকে পায়? জনগণ সরাসরি প্রশ্ন তুলছে—এই অন্তর্বর্তী সরকারই কি তাদের পৃষ্ঠপোষক?
আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা ও লুটেরা গোষ্ঠী সরকারের উপদেষ্টাদের সমর্থন নিয়ে বিদেশে পালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি অনেক উপদেষ্টার সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগও উঠেছে। আমরা আগেই, গত ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার এবং আওয়ামী দোসর রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগ দাবি করেছিলাম। কারণ বঙ্গভবনে বসে চুপ্পু এখনো জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
সারা দেশে আওয়ামী লীগ ঝটিকা মিছিল, হত্যাকাণ্ড ও সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে। সহিংসতা থামছে না। এখন ছাত্রসমাজ, জনতা ও বিরোধী রাজনৈতিক দলসমূহ রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর পদত্যাগ এবং আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবিতে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলেছে এবং তীব্র জনমত সৃষ্টি করেছে।
সরকারের উচিত এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া—আওয়ামী লীগকে একটি সন্ত্রাসী দল হিসেবে চিহ্নিত করে অবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা।