০৭ (সাত) জন প্রতারকদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় নিম্নে তুলে ধরা হলো:
নাজরান বিডি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীর ১৮০০ হাজার সদস্যদের কাছ থেকে এক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। এই কোম্পানীর মালিক পক্ষ ০৭ (সাত)
জন প্রতারকদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় নিম্নে তুলে ধরা হলো:
এই কোম্পানীটি ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। কোম্পানীর শুরু থেকে যাহার দায়িত্ব পালন করে আসছিল তাদের নাম ও সংক্ষিপ্ত ঠিকানা নিম্নরুপ: ১। চেয়ারম্যান- মোঃ মোশারফ হোসেন মৃধা, ঠিকানা- থানা: সোনাগাজী, জেলা: ফেনী। ২। ভাইস চেয়ারম্যান- মোঃ আতাউর রহমান, ঠিকানা- থানা: বেলকুচি, জেলা: সিরাজগঞ্জ। ৩। ম্যানেজিং ডাইরেক্টর- মোঃ আবুল হোসেন জীবন চৌধুরী, ঠিকানা- থানা: তুরাগ, জেলা: ঢাকা। ৪। ফিন্যান্স ডাইরেক্টর- মোঃ খান আসাদুজ্জামান লাভলু, ঠিকানা- থানা: রামপাল, জেলা: বাগেরহাট ৫। ডাইরেক্টর-মোঃ আক্কাচ আলী, ঠিকান।- নিকুঞ্জ-২, খিলক্ষেত, ঢাকা। ৬। ডাইরেক্টর- মোঃ ওবায়দুল্লাহ, ঠিকানা- আওয়াল এভিনিউ, উত্তরা, ঢাকা। ৭। ডাইরেক্টর- মোঃ মোজাম্মেল হক, ঠিকানা-থানা: ভোলা সদর, জেলা: ভোলা। এই সমস্ত ব্যক্তিবর্গ কোম্পানীর বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন। তাহাদের অনেকগুলি ভূয়া প্রজেক্ট ছিলো। তাহা কোন সময় মানুষকে বুঝতে সুযোগ দেয় নাই। নাজরান বিডি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীর বিভিন্ন প্রজেক্ট সমূহের নাম নিচে দেওয়া হইলো।
১। নাজরান ফিসারিজ এন্ড এগ্রো। ২। নাজরান ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস এজেন্সি। ৩। নাজরান মিনারেল ওয়াটার এজেন্সি। ৪। নাজরান হসপিটাল। ৫। নাজরান রিয়েল এস্টেট কোম্পানী। ৬। বাইব্যাক পলিসি। প্রতারকগণ উক্ত প্রজেক্টের মাধ্যমে মানুষকে লোভনীয় ভাব দেখায়। তার মধ্যে নাজরান ফিসারিজ এন্ড এগ্রো এই প্রজেক্টে ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকার বিনিয়োগ করিলে ৩৩ মাসে দুই লক্ষ টাকা পাবেন। কোম্পানী কিন্তি আকারে প্রতি মাসে ৩০০০/- টাকা মুনাফা ও মূলধন থেকে ৩০০০/- টাকা মোট ৬,০০০/- দিয়া আসিতেছিলেন। বিবাদীগণ আরও মানুষকে আশ্বস্ত করে যে, আরেকটি প্রজেক্টের নামকরণ করে ‘বাইব্যাক’ পলিসি। এই পলিসিতে এককালীন ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা কোম্পানীতে বিনিয়োগ করিলে দুই বছর পরে ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা এককালীন কোম্পানী পরিশোধ করিবে। প্রতারকগণ মানুষকে আরও আশ্বস্ত করে যে, এক/দুই/তিন/পাঁচ কাঠার প্লট কিনিলে মাটি ভরাট করে ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা কাঠা হিসাবে ৫ (পাঁচ) বছর পর তাদেরকে প্লট বুঝাইয়া দেওয়া হইবে। কোম্পানীর গ্রাহকগণ ২০২৩ সালে নভেম্বর/ডিসেম্বর মাসে অর্ধেক টাকা হারে পরিশোধ।করেন। কোম্পানীর সদস্যগণ প্লট নিতে চাহিলে বিবাদীগণ প্লট বুঝাইয়া দিতে গড়িমসি ভাব দেখায়। বিবাদীগণ আত্ম প্রকাশ করেন যে, কোন গ্রাহক যদি প্লট নিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে সেই ক্ষেত্রে কোম্পানী সদস্যদেরকে চারগুন টাকা প্রদান করিবে। এই কোম্পানীর ১৮,০০০ হাজার সদস্যগণ হুমড়ি খেয়ে বিনিয়োগ করিতে আরম্ভ করেন। কেহ কেহ বাসা বাড়ি, ফ্লাট, জমি-জমা, ব্যাংক থেকে সুদি ঋণ করিয়া ও পেনশনের সর্বস্থ্য মূলধনের টাকা বিনিয়োগ করেন। বর্তমানে পথের ভিখারি। প্রতারক মোঃ মোশারফ হোসেন মৃধা সেমিনারের পর যে সমস্ত উক্তি ও যুক্তি দেয় সেই সমস্ত কথা শুনিয়া কোম্পানীর সদস্যগণ আইডি করাইতে সক্ষম হন। নাজরান বিডি প্রাইভেট লিমিটেড যখন বিশ্ব রোডে ইসহাক টাওয়ারে ছিলো তখন দীর্ঘদিন যাবত প্রতারকগণ কোম্পানীর সদস্যগণের নিকট থেকে ১,০০০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। বর্তমান প্রতারকগণ নিজেদের বাড়ি ছেড়ে বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে। প্রতারকগণ যে কোন মুহুর্তে দেশ ত্যাগ করিতে পারে। যদি তাহারা বিদেশে পালিয়ে যায় নাজরান বিডি প্রাইভেট কোম্পানীর সদস্যরা যে সমস্ত টাকা বিনিয়োগ করিয়াছে তাহা থেকে চিরতরে বঞ্চিত হইবে। বর্তমান মাননীয় স্বরাষ্ট্র সচিব মহোদয়ের কাছে আমাদের আকুল আবেদন নাজরান বিডি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষতিগ্রস্থ সকল বিনিয়োগকৃত সদস্যদের পক্ষ থেকে উপরে উল্লিখিত সকল প্রতারকগণের বিরুদ্ধে ১০টি মামলা হয়েছে। বিবাদীগণকে পুলিশ দ্বারা গ্রেফতার করাইয়া পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা দ্বারা উপরোক্ত বিষয়াদির তদন্ত করিয়া সুষ্ঠু বিচারের আওতায় আইনি প্রক্রিয়া করত:
নাজরান বিডি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীতে বিনিয়োগকৃত ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের টাকা উদ্ধার করত: এবং বিবাদীগণ যেন বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারে এমন পদক্ষেপ নিতে হইবে এবং বিবাদীগণের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে আপনার সু-মর্জি হয়