fbpx
হোম বিনোদন সোশ্যাল মিডিয়ায় চলচ্চিত্রশিল্পীদের নিয়ে বাড়ছে ‘ট্রল কালচার
সোশ্যাল মিডিয়ায় চলচ্চিত্রশিল্পীদের নিয়ে বাড়ছে ‘ট্রল কালচার

সোশ্যাল মিডিয়ায় চলচ্চিত্রশিল্পীদের নিয়ে বাড়ছে ‘ট্রল কালচার

0

ইন্টারনেট দুনিয়া এখন এক উন্মুক্ত মঞ্চ। এখানে কেউ সমালোচক, কেউ বিচারক, কেউ ট্রল গুরু। নেটিজেনরা মনে করছেন আধুনিকতার নামে এই ট্রল সংস্কৃতি চলচ্চিত্র ও চলচ্চিত্রকর্মীদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে। নায়ক-নায়িকার লুক, উচ্চারণ-সব কিছুই মিমের খোরাক হয়ে ওঠে এখন। পুরোনো দিনের তারকাদের নানা কাজ নিয়ে নিয়মিত ট্রল হয় সামাজিক মাধ্যমে। এ নিয়ে প্রতিবেদন লিখেছেন সৈয়দ মেহেদী হাসান শুভ।
যাদের অভিনয় দেখে একসময় প্রেক্ষাগৃহে দর্শক মুখর থাকত-তারাই আজ সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যালগরিদমে ভাসমান ঠাট্টার পাত্র। প্রযুক্তি যেমন বিশ্বদর্শনের সুযোগ দিয়েছে, ঠিক তেমন দর্শকের হাতে তুলে দিয়েছে একধরনের তলোয়ার, যা আঘাত হানে শিল্পীর সৃজনশীলতায়। ঢাকাই সিনেমার আকাশে উজ্জ্বল তারকাদের মধ্যে রয়েছে-জাভেদ, জসীম, ইলিয়াস কাঞ্চন, ওমর সানী, বাপ্পারাজ, রিয়াজ, শাবানা, নূতন, চম্পা, অঞ্জু ঘোষ, দিতি, মৌসুমীসহ আরও অনেক অভিনয়শিল্পী।
বিগত সময়ে সিনেমা নির্মাণের ধরন, চলচ্চিত্রের গানে নাচের ভঙ্গি এবং সংলাপ, ফ্যাশনসহ নানা বিষয় নিয়ে নিয়মিত ট্রল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বর্তমানে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, ইউটিউব ও প্রেক্ষাগৃহ-এই তিন মাধ্যমকে লক্ষ্য করে নির্মাতা ও অভিনেতাদের কাজ করতে হয়। কিন্তু নতুন ধারা যতই সামনে এগিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ততই বেড়েছে ‘ট্রল কালচার’। কেউ একটু ভিন্ন লুক নিলে বলে ‘হলিউড কপি করছে’।
চরিত্রের প্রয়োজনে ওজন বাড়ালে বা কমালে বলা হয় ‘ফিল্টারের অভিনয় করছে’। নতুন নির্মাতা ঝুঁকি নিয়ে অন্যরকম কিছু নির্মাণ করলে বলা হয় ‘কপি মাস্টার’। আর নায়িকাদের নিয়ে তো ট্রলের শেষ নেই। এসব এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে এত বেশি ছড়িয়ে পড়েছে যে, দর্শক ট্রল কন্টেন্ট দেখেই মজা পাচ্ছে। অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে ঢালিউড চলচ্চিত্রের সুনামধন্য তারকারাও ট্রলের শিকার হচ্ছেন নিয়মিত। ট্রলের শিকার হওয়া তারকাদের তালিকায় রয়েছেন শাকিব খান, আফরান নিশো, সিয়াম আহমেদ, আরিফিন শুভ, পরিমণি, বুবলী, অপু বিশ্বাস, নুসরাত ফারিয়া, মেহজাবীন চৌধুরী, তানজিন তিশা, তাসনিয়া ফারিণ, সাবিলা নূরসহ আরও অনেকে।
সমালোচনার প্রয়োজন সব শিল্পেই থাকে। কিন্তু ট্রল হলো সমালোচনার ছদ্মবেশে ব্যক্তিগত আক্রমণ, যা শিল্পী ও শিল্পের প্রতি অবমাননা তৈরি করে। ট্রলের কারণে ক্ষতির শিকার যেমন শিল্পীরা, তেমনি চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিও।

 

 

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *