fbpx
হোম জাতীয় লোডশেডিং হলে গ্রামে নয়, প্রথমে হবে ঢাকায়: জ্বালানি উপদে ষ্টা
লোডশেডিং হলে গ্রামে নয়, প্রথমে হবে ঢাকায়: জ্বালানি উপদে ষ্টা

লোডশেডিং হলে গ্রামে নয়, প্রথমে হবে ঢাকায়: জ্বালানি উপদে ষ্টা

0

এবার গ্রীষ্মে অসহনীয় লোডশেডিং হবে না। যদি লোডশেডিংয়ের প্রয়োজন পড়ে, তবে তা শুধু গ্রামে সীমাবদ্ধ থাকবে না। প্রথমে ঢাকায় লোডশেডিং করা হবে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের সম্মেলন কক্ষে শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
তিনি আরও বলেন, রমজানে লোডশেডিং হয়নি। তবে কিছু কিছু এলাকায় বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। আমরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি।
এ সময় চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা, রেল সেবা, বিদ্যুৎ সরবরাহসহ বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘কোচ ও ইঞ্জিনের ঘাটতি সমাধানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কাজ করছে। কোচ ও ইঞ্জিনের সংখ্যা বাড়লে চট্টগ্রাম-চুয়েটসহ স্বল্প দূরত্বের রুটে কমিউটার ট্রেন চালু করা হবে। ট্রেনের সেবা বাড়াতে কোচ ও ইঞ্জিনের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। এ লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে চীনে গিয়েছিলাম। সেখানে চীনের পরিবহন মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

ফাওজুল কবির খান আরও জানান, ‘২০০ কোচের জন্য ইতোমধ্যে অর্ডার দেওয়া হয়েছে। এ মাসে একটি প্রতিনিধি দল চীনে যাবে, যাতে কোচগুলো দ্রুত সরবরাহ শুরু হয়। লোকোমোটিভ ক্রয়ের জন্যও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আমরা কমিউটার ট্রেন চালু করেছি। বর্তমানে জয়দেবপুর-ঢাকা, ভৈরব-ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা রুটে এই সেবা চালু রয়েছে।
জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। তবে যেসব খাল পরিষ্কার করা হয়েছিল, সেগুলোতে আবার ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। এ থেকে বোঝা যায়, আমরা জনগণকে এ কাজে সম্পৃক্ত করতে পারিনি। বিভাগীয় কমিশনার বিভিন্ন এলাকায় মতবিনিময় সভার আয়োজন করবেন। আমরা চট্টগ্রামে ৩০ হাজার ডাস্টবিন স্থাপনের পরিকল্পনা করছি, যা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন করবে।
তিনি আরও বলেন, ‘মতবিনিময় সভা ও ডাস্টবিন স্থাপনের পরও যদি ময়লা এলোমেলোভাবে ফেলা হয়, তাহলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। জলাবদ্ধতা এবার পুরোপুরি না হলেও বৃষ্টিপাতের পরিমাণের ওপর তা নির্ভর করবে।
সভায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *