fbpx
হোম রাজনীতি প্রার্থী হতে ছেড়েছিলেন যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব, ফিরে যাচ্ছেন ভাঙা হৃদয়ে
প্রার্থী হতে ছেড়েছিলেন যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব, ফিরে যাচ্ছেন ভাঙা হৃদয়ে

প্রার্থী হতে ছেড়েছিলেন যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব, ফিরে যাচ্ছেন ভাঙা হৃদয়ে

0

নাটোরের লালপুর উপজেলার কেশাবপুরে গ্রামের বাসিন্দা ড. আজাবুল হক। বয়স ৫০ পেরিয়েছে। যুক্তরাজ্যে প্রায় দুই দশকের প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফেরা। তবে আর দশটা প্রবাসীদের থেকে তাঁর ফিরে আসার গল্পটা ব্যতিক্রম। তিনি এসেছিলেন নাটোর-১
প্রার্থী হতে ছেড়েছিলেন যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব, ফিরে যাচ্ছেন ভাঙা হৃদয়ে
নাটোরের লালপুর উপজেলার কেশাবপুরে গ্রামের বাসিন্দা ড. আজাবুল হক। বয়স ৫০ পেরিয়েছে। যুক্তরাজ্যে প্রায় দুই দশকের প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফেরা। তবে আর দশটা প্রবাসীদের থেকে তাঁর ফিরে আসার গল্পটা ব্যতিক্রম। তিনি এসেছিলেন জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে। জনগণের সেবায় তাঁর বাকি জীবনের গল্প আঁকতে। কিন্তু বিধি বাম!

প্রবাসে থাকতে খেলাফত মজলিসের সঙ্গে সাংগঠনিকভাবে যুক্ত ছিলেন আজাবুল। সে অভিজ্ঞতা ও দলের আশ্বাস পেয়ে দেশে ফেরেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে। নিয়ম মেনে প্রার্থী হতে ২০ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন তিনি। নাটোর-১ আসনে প্রার্থীও হন দল থেকে। প্রস্তুতি চলছিল জোরদার। হঠাৎ দলের সিদ্ধান্ত– তাঁকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে হবে। তাঁর আসনে দলের জোট প্রার্থীকে সমর্থন দিতে হবে। দলের সিদ্ধান্ত মেনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন তিনি। এর পর থেকে মনে চাপা কষ্ট নিয়ে অনেকটা চুপচাপ তিনি।
ড. আজাবুল হক সমকালকে আরও বলেন, তিনি দীর্ঘ ১৯ বছর ইংল্যান্ডে বসবাস করছেন। ইংল্যান্ডে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। সমাজ ও রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য তিনি এলাকায় এসেছিলেন। এই পরিবর্তনটা করার জন্য তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চেয়েছিলেন। কারণ সমাজ বা রাষ্ট্রের সংস্কার করতে যে ক্ষমতাটা দরকার তার সেটা নেই। এ জন্য একটি দলের মনোনয়ন নিয়ে মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছিলেন। সে জন্য তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্বও ত্যাগ করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করলে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসি থেকে হাইকোর্টে রিট পর্যন্ত করেছেন। অনেক যুদ্ধ করে প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর দল খেলাফত মজলিস বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী জোটে যোগ দেয়। পরে দলের নির্দেশে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।
এখন কী করবেন– জানতে চাইলে ড. আজাবুল হক বলেন, এখন তিনি যত দ্রুত সম্ভব যুক্তরাজ্যে ফেরত যাবেন। কারণ সেখানে তাঁর পরিবার আছে।
দলের প্রতি কোনো ক্ষোভ আছে কিনা– জানতে চাইলে ড. আজাবুল হক বলেন, ‘হয়তো দল বা জোট তাঁকে যোগ্য মনে করেনি, তাই শেষ মুহূর্তে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক ব্যক্তি নই। কিন্তু জোটের অন্য প্রার্থীর চেয়ে যোগ্য। তাই দলের প্রতি আমার একটাই ক্ষোভ– তারা আমার জন্য কোনো চেষ্টা করেনি। আমার ত্যাগটা তারা সেভাবে দেখেনি।’
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আজাবুল হক বলেন, লালপুরে তাঁর দুটি স্কুল এবং মাদ্রাসা আছে। এ দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তিনি দীর্ধদিন ধরে পরিচালনা করছেন। এটা অব্যাহত থাকবে। দেশের জন্য কিছু করতে চান তিনি।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচনে নাটোর-১ আসনে ১০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে। জনগণের সেবায় তাঁর বাকি জীবনের গল্প আঁকতে। কিন্তু বিধি বাম!
প্রবাসে থাকতে খেলাফত মজলিসের সঙ্গে সাংগঠনিকভাবে যুক্ত ছিলেন আজাবুল। সে অভিজ্ঞতা ও দলের আশ্বাস পেয়ে দেশে ফেরেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে। নিয়ম মেনে প্রার্থী হতে ২০ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন তিনি। নাটোর-১ আসনে প্রার্থীও হন দল থেকে। প্রস্তুতি চলছিল জোরদার। হঠাৎ দলের সিদ্ধান্ত– তাঁকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে হবে। তাঁর আসনে দলের জোট প্রার্থীকে সমর্থন দিতে হবে। দলের সিদ্ধান্ত মেনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন তিনি।

এর পর থেকে মনে চাপা কষ্ট নিয়ে অনেকটা চুপচাপ তিনি।
ড. আজাবুল হক সমকালকে আরও বলেন, তিনি দীর্ঘ ১৯ বছর ইংল্যান্ডে বসবাস করছেন। ইংল্যান্ডে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। সমাজ ও রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য তিনি এলাকায় এসেছিলেন। এই পরিবর্তনটা করার জন্য তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চেয়েছিলেন। কারণ সমাজ বা রাষ্ট্রের সংস্কার করতে যে ক্ষমতাটা দরকার তার সেটা নেই। এ জন্য একটি দলের মনোনয়ন নিয়ে মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছিলেন। সে জন্য তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্বও ত্যাগ করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করলে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসি থেকে হাইকোর্টে রিট পর্যন্ত করেছেন। অনেক যুদ্ধ করে প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছিলেন।

কিন্তু তাঁর দল খেলাফত মজলিস বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী জোটে যোগ দেয়। পরে দলের নির্দেশে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।
এখন কী করবেন– জানতে চাইলে ড. আজাবুল হক বলেন, এখন তিনি যত দ্রুত সম্ভব যুক্তরাজ্যে ফেরত যাবেন। কারণ সেখানে তাঁর পরিবার আছে।
দলের প্রতি কোনো ক্ষোভ আছে কিনা– জানতে চাইলে ড. আজাবুল হক বলেন, ‘হয়তো দল বা জোট তাঁকে যোগ্য মনে করেনি, তাই শেষ মুহূর্তে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক ব্যক্তি নই। কিন্তু জোটের অন্য প্রার্থীর চেয়ে যোগ্য। তাই দলের প্রতি আমার একটাই ক্ষোভ– তারা আমার জন্য কোনো চেষ্টা করেনি। আমার ত্যাগটা তারা সেভাবে দেখেনি।’
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আজাবুল হক বলেন, লালপুরে তাঁর দুটি স্কুল এবং মাদ্রাসা আছে। এ দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তিনি দীর্ধদিন ধরে পরিচালনা করছেন। এটা অব্যাহত থাকবে। দেশের জন্য কিছু করতে চান তিনি।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচনে নাটোর-১ আসনে ১০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *