fbpx

বাংলাদেশের প্রথম ভিডিও নিউজ পোর্টাল

মঙ্গলবার, ২০শে অক্টোবর, ২০২০; ৫ই কার্তিক, ১৪২৭; ১লা রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২
হোম আন্তর্জাতিক বিপুল ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করলেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী
বিপুল ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করলেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী

বিপুল ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করলেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী

0

আজারবাইজান এবং আর্মেনিয়ার মধ্যে নাগোরনো-কারাবাখের বিরোধপূর্ণ অঞ্চল নিয়ে যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধ-সংঘাতে সেনাবাহিনীর অনেক সদস্য হতাহত হয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান।

পাশিনিয়ান বলেছেন, জনশক্তি ও উপকরণের ক্ষয়ক্ষতি হলেও আর্মেনিয়ার সেনারা এখনও নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে এবং প্রতিপক্ষের জনশক্তি ও উপকরণের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

বুধবার টেলিভিশনে প্রচারিত হওয়া এক ভাষণে পাশিনিয়ান বলেন, আর্মেনিয়ায় ‌‌‌‌‌‌‘বহু হতাহত’ হয়েছে। তিনি বলেন, আমি আমাদের সকল ভুক্তভোগী, শহীদ, তাদের পরিবার, বিশেষ করে শহীদদের মায়েদের উদ্দেশ্যে নতজানু হয়ে সম্মান জানাই। তাদের এই ক্ষতিকে আমি আমার ও আমার পরিবারের ব্যক্তিগত ক্ষতি হিসেবে বিবেচনা করছি। আমাদের সবার জানা প্রয়োজন যে আমরা একটা কঠিন পরিস্থিতি পার করছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের জয়ী হতেই হবে, আমাদের বেঁচে থাকতেই হবে। আমাদের নিজেদের ইতিহাস তৈরি করতে হবে। আর আমরা এর মধ্যেই ইতিহাস তৈরি করছি। আমাদের বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধের গল্প, আমাদের মহাকাব্য তৈরি হয়েছে।

এদিকে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ অভিযোগ তুলেছেন, আর্মেনিয়া তাদের গ্যাস ও তেলের পাইপ লাইনে আক্রমণ করেছে।

তুরস্কের প্রচারমাধ্যম হেবারতুর্ককে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, আর্মেনিয়া আমাদের পাইপলাইন আক্রমণ করে সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করছে। তারা যদি সেখানকার পাইপলাইনের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করে, তাহলে আমি বলতে পারি যে এর পরিণতি গুরুতর হবে।

অপরদিকে এই দু’দেশের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বুধবার নিজেদের মধ্যে ফোনে আলোচনা করেছেন।

ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সহিংসতা বন্ধ করার লক্ষ্যে অতি দ্রুত যৌথ উদ্যোগ নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে নাগোরনো-কারাবাখ দ্বন্দ্বের সমাধান করার ব্যাপারে আলোচনা করেছেন তারা।

নাগোরনো-কারাবাখ হচ্ছে ৪ হাজার ৪শ বর্গ কিলোমিটার (১ হাজার ৭০০ বর্গ মাইল) আয়তনের একটি পর্বতাঞ্চল।ঐতিহাসিকভাবে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী আর্মেনিয়ান এবং মুসলিম তুর্কদের আবাসস্থল।

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *