হোম আন্তর্জাতিক আপনার হাতের স্মার্টফোন গোয়েন্দার চেয়েও মারাত্মক : স্নোডেন
আপনার হাতের স্মার্টফোন গোয়েন্দার চেয়েও মারাত্মক : স্নোডেন

আপনার হাতের স্মার্টফোন গোয়েন্দার চেয়েও মারাত্মক : স্নোডেন

0
0

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসএ) সাবেক কম্পিউটার বিষয়ক গোয়েন্দা পরামর্শক অ্যাডওয়ার্ড স্নোডেন বলেছেন, আপনার পকেটের স্মার্টফোন গোয়েন্দার চেয়েও মারাত্মক।

সংবাদ মাধ্যম দ্যা গার্ডিয়ানকে দেয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে স্নোডেন জোর দিয়ে বলেন যে, সরকারদের উচিৎ আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্র ও প্রযুক্তির বাণিজ্যের ওপর নিরেষধাজ্ঞা আরোপ করা। এটা না করলে এমন এক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে যে অন্য রাষ্ট্রের হ্যাকারদের হাত থেকে কোনো মোবাইলই নিরাপদ থাকবে না।

ইসরাইলের প্রযুক্তি সংস্থা এনএসওর গোয়েন্দা প্রযুক্তির ক্রেতারা (বিভিন্ন রাষ্ট্র) এখন পেগাসাস সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিভিন্ন মোবাইল হ্যাক করে নজরদারির কাজে ব্যবহার করছে। এমন তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর অ্যাডওয়ার্ড স্নোডেন বলেন, ওই ইসরাইলি কোম্পানিটি এমন সফটওয়্যার বের করেছে যে তা স্বৈরাচারী শাসকদের স্বপক্ষে বহু সংখ্যক মানুষের প্রযুক্তি পণ্যের (মোবাইল, কম্পিউটার, ট্যাব) ওপর মারাত্মক নজরদারি করবে। আর এ সফটওয়্যারটি বাণিজ্যিকভাবেও ইসরাইলি কোম্পানিটিকে লাভবান করবে।

তিনি বলেন, আগে প্রথাগত পুলিশি অভিযানের সময় অপরাধীর ফোনে নজরদারি যন্ত্র বা ম্যালওয়্যার (ভাইরাস) প্রবেশ করিয়ে দেয়া হতো। এর জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে কারো বাড়ি, গাড়ি ও অফিসের দরজা ভেঙে প্রবেশ করতে হতো। এসব করার ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর ‘ওয়ারেন্ট’ বা সরকারি অনুমতি বের করতে হয়। এখন যদি ওই নজরদারি বা গোয়েন্দাগিরির কাজগুলোই দূর থেকে ও নিরাপদে করা যায়, তাহলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সব সময়ের জন্য সবার ওপরই এটা প্রয়োগ করবে। কারো প্রতি সন্দেহ হলে বা সামান্য স্বার্থ থাকলেই তারা গোয়েন্দাগিরি করবে।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি কেউ এ নজরদারি সফটওয়্যারের কেনা-বেচা বন্ধ না করে, তাহলে এ গোয়েন্দা কার্যক্রম ৫০ হাজার মানুষের ওপর সীমাবদ্ধ থাকবে না। পরে আরো ৫০ লাখ মানুষের ওপর নজরদারি করা হবে। এরপরে এমন একটা সময় আসবে যে আমরা ধারণা করতে পারব না যে কত মানুষের ওপর নজরদারি বা গোয়েন্দাগিরি করা হচ্ছে।
সূত্র : জিও নিউজ

(0)

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *