fbpx
হোম সংবাদ ২৪ ঘন্টা আইসিটি বিভাগের যুগ্মসচিবের বিরুদ্ধে একাধিক পদে দায়িত্ব গ্রহণ ও স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ
আইসিটি বিভাগের যুগ্মসচিবের বিরুদ্ধে একাধিক পদে দায়িত্ব গ্রহণ ও স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ

আইসিটি বিভাগের যুগ্মসচিবের বিরুদ্ধে একাধিক পদে দায়িত্ব গ্রহণ ও স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ

0

স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকাতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের যুগ্মসচিব মো. সাইফুল হাসানের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও প্রকল্পভিত্তিক দায়িত্ব পালন, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ এবং স্বার্থের সংঘাত (Conflict of Interest) তৈরির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, একজন কর্মকর্তার হাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণের ফলে প্রশাসনিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সুশাসনের প্রশ্নও সামনে এসেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইসিটি বিভাগের প্রশাসন অধিশাখার দায়িত্বে থাকার পাশাপাশি বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও কারিগরি), সদস্য (বিনিয়োগ ও পার্ক সমন্বয়) এবং ১৪ জেলায় আইটি ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পান মো. সাইফুল হাসান। পরে আইসিটি অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (চলতি দায়িত্ব) দায়িত্বও তার ওপর অর্পণ করা হয়।অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এসব দায়িত্ব বণ্টনের প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট অধিশাখার দায়িত্বে থাকায় তিনি নিজেই প্রক্রিয়াকরণে সম্পৃক্ত ছিলেন, যা প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। তাদের দাবি, একই সময়ে আইসিটি টাওয়ারে কর্মরত আরও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা থাকা সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো একজন কর্মকর্তার কাছেই কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে।

এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, একই সঙ্গে প্রশাসনিক শাখা, প্রকল্প পরিচালনা এবং অধিদপ্তরের প্রধানের দায়িত্ব পালন করায় স্বার্থের সংঘাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে প্রশাসনিকভাবে যেসব দপ্তরের কার্যক্রম তদারকির কথা, সেসব দপ্তরেরই প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন প্রশাসনিক জবাবদিহিতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।আরও অভিযোগ করা হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর অফিস কক্ষ সংস্কার ও সাজসজ্জায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের মতে, পূর্বে ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় থাকা অফিস পুনরায় সাজানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন কমিটি, বিদেশ সফর এবং প্রকল্প পরিচালনা নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

এদিকে অভিযোগকারীদের দাবি, প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি প্রত্যাশিত নয়। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব একই ব্যক্তির হাতে থাকায় প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মো. সাইফুল হাসানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ এবং সরকারের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। তাদের মতে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হলে সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী হবে।উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনে উত্থাপিত বিষয়গুলো অভিযোগকারীদের দাবি ও সরবরাহ করা তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা অভিযুক্ত কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযুক্ত করা হবে।

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *