fbpx

বাংলাদেশের প্রথম ভিডিও নিউজ পোর্টাল

বৃহস্পতিবার, ৫ই ডিসেম্বর, ২০১৯; ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬; ৭ই রবিউস-সানি, ১৪৪১
হোম অনুসন্ধান অপরাধবার্তা কক্সবাজার: ঈদকে ঘিরে নতুন পন্থায় জাল টাকা ও হুন্ডি চক্র সক্রিয়
কক্সবাজার: ঈদকে ঘিরে নতুন পন্থায় জাল টাকা ও হুন্ডি চক্র সক্রিয়

কক্সবাজার: ঈদকে ঘিরে নতুন পন্থায় জাল টাকা ও হুন্ডি চক্র সক্রিয়

21
0

কক্সবাজার জেলায় পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে জাল টাকা ও হুন্ডি চক্র বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। বাজারে নতুন নোটকে টার্গেট করেই জাল টাকা ও ঈদকে সামনে রেখে বিদেশ থেকে প্রবাসীরা হুন্ডির মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণ টাকা আদান প্রদান করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক চক্র গোপনে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা রোহিঙ্গাদের মাঝে অবৈধভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে কোরবানীর অজুহাতে টাকা ও মাংস বিতরণের সরব প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, জেলা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জাল টাকার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জনসাধাররণর ধারনা না থাকায় সীমান্ত উপজেলা ও শহরের বেশীরভাগ এলাকায় সিন্ডিকেটগুলো বেপরোয়া হয়ে উঠে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নতুন নোট বাজারে আসার আগেই তা জাল করে বাজারে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। দেশে জাল নোট তৈরীর কারিগররা ইতোপূর্বে বড়-বড় নোট জাল করলেও তারা এখন ৫০ ও ১০০ টাকার নোট জাল করছে। ছোট নোটে জনগণ সতর্ক কম থাকায় এই পথ অবলম্বন করছেন প্রতারক চক্র। তারা কক্সবাজার শহর ও সীমান্ত উপজেলাগুলোতে প্রতিনিয়ত এই জাল টাকা পাচার করছে।

ওয়ান ব্যাংক কক্সবাজার শাখার এক কর্মকতা জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নোটের ডিজাইন বাজারে ছাড়ার আগেই জালিয়াতি চক্রের কাছে ডিজাইন চলে যায়। এ কারণে এবারেও ঈদের ঝামেলায় যেন জালনোট আদান প্রদান করতে না পারে সেই জন্য দুইজন অফিসার নিয়মিত দায়িত্বপালন করবেন।

আরো জানা গেছে, বর্তমানে কক্সবাজার শহরসহ বিভিন্ন উপজেলার বাজার ও গরুর হাটবাজারে অহরহ জাল টাকা পাওয়া যাচ্ছে। একশ, পাঁচশত টাকার জাল নোটের পাশাপাশি বিশ থেকে পঞ্চাশ টাকার নোটও জাল হচ্ছে। বিশেষ করে ঈদ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সম্প্রতি ছাড় করা নতুন নোটগুলোর কাগজের মান খারাপ হওয়ায় আসল ও নকলের মধ্যে পার্থক্য খুবই সামান্য। এতে গ্রহিতা ও প্রাপক উভয়কেই দ্বিধা-দ্বন্ধে পড়তে হচ্ছে। কক্সবাজার শহরে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক, অগ্রণী, কৃষি, এবি, ইউনিয়ন, জনতা, সোনালী, ন্যাশনাল ব্যাংক লি: গুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তাদের কাছে মাঝে মধ্যে ৫০০ ও ১০০ টাকার নোট ধরা পড়ছে।

অপরদিকে, গরুর বাজারে বেচাবিক্রির সময় জাল টাকা দিয়ে দ্রুত স্থান করারও অভিযোগ উঠেছে। কক্সবাজার শহরের বড় বাজারের একাধিক ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আসল ও নকল নোট এখন চেনা বড় দায়। প্রতিদিন তাদের বেচাকেনায় জাল নোট পাওয়া যাচ্ছে। আবার দোকানের কেনাকাটার ভিড়ে ক্রেতারা জাল নোট দিয়ে চলে যায়।

ইসলামী ব্যাংক কক্সবাজার শাখার ব্যবস্থাপক জামাল উদ্দিন জানান, জাল টাকা সনাক্ত করা ও গ্রাহকদের যাবতীয় তথ্য উপাত্ত বের করতে সার্বক্ষণিকভাবে আমরা কাজ করি। ঈদের আগে অতিরিক্ত অফিসার দিয়ে সাদা পোষাকে এ চক্রের বিরুদ্ধে মনিটরিংও করা হচ্ছে। আর গরু বাজারে ব্যাংকের পক্ষ থেকে জাল টাকা সনাক্তকরণ মেশিনের বুথ করা হয়েছে।
কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেন, জাল কারবারীদের ধরতে ও কোরবানীর পশুরহাটে আলাদা পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া শহর ও বিভিন্ন বাজারে সাদাপোষাকধারী আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছে।

(21)

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
1

LEAVE YOUR COMMENT

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।