গতকাল গণমাধ্যমে সে জানিয়েছিলো রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত তাহসিফের সঙ্গে ছিলো সে, তারপর সে বাসায় চলে যায়।
অথচ আজ তার বাসার দারোয়ান জানিয়েছে, সেই রাতে দীপ আড়াইটায় বাসায় ঢুকেছে, দেঁড়টার দিকে ফোন দিয়ে সে দারোয়ানকে জানিয়েছিলো আসতে একটু লেট হবে। আবার সেই একই সময় অর্থাৎ ১ টা ৩৫ মিনিটে তাহসিফও তার আম্মাকে ভয়েজ ম্যাসেজ দিয়ে জানিয়েছিলো বাসায় ফিরছেন।
দুইজনের বাসায় যোগাযোগ করার এই টাইমিং ম্যাচিং ধারণা দেয় তারা এক জায়গায় অবস্থানকালেই বাড়িতে যোগাযোগের কাজটা সেড়ে নেন। এরপরের সময়কালটাকে যেভাবে বর্ননা করছে দীপ- সেটি আসলে সমাধান নয় উল্টো নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে! বন্ধু ভাই পরিচিত যেই হয়, একসঙ্গে যদি থাকি আমরা – এবং বন্ধু কোনো কারণে বিপদে পড়ে যায়- এবং কোনোভাবে আমি যদি সেভ জোনে বের হয়ে আসতে পারি, কি করবো আমরা? অবশ্যই ট্রিপল নাইনে ফোন দিবো, কিংবা পরিচিত মানুষদের ডেকে বিপদ উদ্ধারের চেষ্টা করবো।
কিন্তু দীপ সেটা করেনি, ধাওয়া খেয়ে সে নাকি পালিয়েছে, আর তাহসিফ নদীতে ঝাপ দিয়ে মরে গেছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে দুইজন যেহেতু দুইদিকে দৌঁড় দিয়েছে, তাহসিফ যে নদীতে ঝাপ দিয়ে মারা গেছে সেটাতো দীপের জানার কথা নয়, তাহলে তাহসিফকে বাঁচানোর চেস্টা করবে না সে? সে নাকি পরে ফিরে এসে কিছুক্ষণ খুঁজেছে তবে সেটা খুব বেশি বিশ্বাসযোগ্য লাগে না আমার, কারণ একটা ৩৫ পর্যন্ত তাহসিফ বেঁচে ছিলো এবং দীপ বাসায় ঢুকেছে আড়াইটায় – টুঙ্গী থেকে মোহাম্মদপুরে যেতে রাস্তা যতো ফাঁকাই থাক পচিশ-৩০ মিনিটের কমে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই খুব স্বাভাবিক কিছু প্রশ্ন, কেনো তাওসিফকে বাঁচানোর নূন্যতম চেষ্টা করলো না দীপ? শুরু থেকেই কেনো তার সবকিছু লুকানোর চেষ্টা?
নিউজটি পোস্ট করেছেন :
Change24 TV