Site icon changetv.press

শবনম ফারিয়ার অভিযোগ নিয়ে যা বললেন তার সাবেক স্বামী

বিচ্ছেদের এক বছর পেরিয়ে যাওয়ার পর হঠাৎ করে সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে মুখ খুললেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া।

স্বামীর কাছে নির্যাতিত হয়েছেন অভিযোগ তুলে শবনব জানান, নির্যাতন করে হাত ভেঙে দিয়েছিলেন তার স্বামী।

এ নিয়ে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে একটি পোস্ট লেখেন শবনম ফারিয়া, যা নিয়ে সাংস্কৃতিকঅঙ্গনে হইচই চলছে।

অভিনেত্রীর এমন পোস্টের পর এ বিষয়ে মুখ খুললেন অভিযুক্ত সাবেক স্বামী হারুনুর রশীদ অপু।

সাবেক স্ত্রীর সব অভিযোগ অস্বীকার করলেন অপু বললেন, ‘নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়টি সত্য নয়’।

শবনমের মতো তিনিও ফেসবুকের দ্বারস্ত হলেন।

বৃহস্পতিবার ফেসবুকে অপু লেখেন, ‘পারিবারিক নির্যাতনের বিষয়টি সত্য নয়। স্পষ্ট প্রমাণ ছাড়া এটা নিছক ঘটনা ভিন্নদিকে প্রবাহিত করার পরিকল্পনা। আমি জানি না, কেন এতদিন পর কেউ এখন অতিরঞ্জিত গল্প ছড়াচ্ছে।’

শবনম ফারিয়ার অভিযোগের বিষয়ে অপু আরও লিখেছেন, ‘অভিযোগ দুইদিকেই থাকে, কেউই সন্ন্যাসী লেভেলে থাকি না আমরা। দিনের পর দিন কারো আসমান সমান অভিযোগ থাকলে, আরেকদিকে পাহাড় সমান থাকারই কথা। অভিযোগের পুঁজি করে নিজেকে সাধু সাজিয়ে ভিকটিম হিসেবে প্রকাশ করা অনেকের অভ্যাস হতে পারে। তবে এই পথে এখনো যেতে পারিনি।’

শবনম ফারিয়ার এমন স্ট্যাটাসের সমালোচনায় অপু লিখেছেন,  ‘পাশে থেকেও শ্রদ্ধা রাখা যায়, দূরে থেকেও। নিজেকে ভিকটিমের মতো উপস্থাপন করে বিভ্রান্তিমূলক মতবাদ আসলেই দুঃখজনক। যখন একটা মানুষকে জনসাধারণ অনুসরণ করে, তার দিক থেকে একটাই কথা মাথায় রাখা উচিত, বড় ক্ষমতার সঙ্গে বড় দায়িত্ব চলে আসে। কেউ যদি সহজেই হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌছতে পারে, তারও উচিত সাবলীল ও সৃষ্টিশীল গঠনমূলক কথায় নিজের ইমেজকে বিকাশ করা।’

ফারিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর শান্তিতে আছেন এমন ইঙ্গিত দিয়ে অপু লিখেছেন,  ‘যাচ্ছেতাই কমেন্ট/স্ট্যাটাস দিয়ে নিজেও রসিকতার পাত্র হয়ে লাভ নেই, আর অন্যকেও হাসির মাঝে ফেলে লাভ নাই। তবুও নিজেকে প্রায়ই এটা বলেই স্বান্তনা দিই যে- হয়তো বিপরীতের মানুষটি অশান্তিতে আছে দেখেই এমন মনোভাব পোষণ করছে। নিজে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে পরে নিজেই অশান্তিতে থাকলে তখন অনেকেই চেষ্টা করেন বাকি মানুষটাকেও ছোট প্রমাণ করতে। প্রায় সময়ই আমরা অশান্তিতে থাকলে নিজেদের বেসামাল করে কথা বলেই ফেলি। অন্য কেউ ভালো থাকলে আবার টেনে নামানোর চেষ্টাও হয়তো করেন কেউ।আলহামদুলিল্লাহ অনেক শান্তিতে আছি, আল্লাহ এখন পরিবার নিয়ে সুস্থ ও ভালো রেখেছেন। এখন শান্তির ঘুমও হয় রাতে! আল্লাহ সবাইকে বিভিন্ন রকম বিপদ, কষ্ট, প্যারা, কেইস, অশান্তি ও অসংলগ্ন কথা থেকে মুক্ত থাকার তৌফিক দান করুন, আমীন।’

(0)

Exit mobile version