Site icon changetv.press

ফয়সালা হবে ঢাকার রাজপথে, দিল্লির দরবারে নয়: রাশেদ প্রধান

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, “মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী আমাদের শিখিয়েছিলেন কীভাবে আধিপত্যবাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নিজের দেশের মাটির ও পানির জন্য রাজপথে দাঁড়িয়ে যেতে হয়। আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবসের ৫০ বছর পূর্তিতে দাঁড়িয়ে সবার বুঝতে হবে—বাংলাদেশ এখন আর করদরাজ্য নয়। যারা নতজানু পররাষ্ট্রনীতি প্রদর্শন করছেন, যারা মনে করেন দিল্লির গোলামি করে মসনদ রক্ষা করবেন, তারা জেনে রাখুন, দেশপ্রেমিক জনগণ রক্ত দিতে শিখে গেছে। আমাদের রাজনীতির ফয়সালা হবে ঢাকার রাজপথে, দিল্লির দরবারে নয়।”জাগপা মুখপাত্র আরও বলেন, “ফারাক্কা বাঁধ ছিল আমাদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত। পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হওয়া থেকে শুরু করে সেই আঘাত আজ সীমান্ত হত্যা, অবৈধ পুশ-ইন, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন এবং আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নগ্ন হস্তক্ষেপ পর্যন্ত গড়িয়েছে। দিল্লি সরকারকে বুঝতে হবে, কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে বন্ধুত্ব হয় না। সময় এসেছে ভারতীয় আগ্রাসন রুখে দেওয়ার, সময় এসেছে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ভেঙে দেওয়ার।”

আজ শনিবার (১৬ মে) সকাল ১১টায় পল্টনস্থ শফিউল আলম প্রধান মিলনায়তনে, ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবসের ৫০ বছর পূর্তিতে যুব জাগপা আয়োজিত “ভেঙে দাও ভারতীয় আধিপত্যবাদ” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রাশেদ প্রধান আরও বলেন, “বাংলাদেশে আগ্রাসন চালিয়ে এবং নিজ দেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদ সৃষ্টি করে মুসলিম ভাই-বোনদের ওপর নিপীড়ন চালিয়ে এ অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখা সম্ভব নয়। দিল্লিকে মনে রাখতে হবে, প্রতিবেশী রাষ্ট্রে আগুন লাগিয়ে এবং নিজ রাষ্ট্রে সংখ্যালঘু নির্যাতন করে কেউ নিজের ঘরে শান্তিতে ঘুমাতে পারে না। আমাদের দেশে যেসব রাজনৈতিক দল, মিডিয়া এবং সুশীল ব্যক্তি দিল্লির গোলামি করছেন, আপনারাও মনে রাখবেন—আপনারা দেশ ও জাতির শত্রু। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না।”

যুব জাগপা সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাগপা প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এর এম জিয়াউল আনোয়ার, সহ-সাংঠনিক সম্পাদক সাব্বির আহমেদ, শ্রমিক জাগপা সভাপতি আসাদুজ্জামান বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন, যুব জাগপা যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান, যুব নেতা নাঈম আল ইসলাম, আবু নাসের প্রমুখ।

(0)

Exit mobile version