Site icon changetv.press

ফিলিপাইনে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘গনি’

ফিলিপাইনে রোববার ভোরে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় (ক্যাটাগরি-৫) ‘গনি’। এই ঝড়ে ফিলিপিন্সের পূর্বাঞ্চলগুলো সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে জানা যায়, রোববার ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে ২২৫ কিলোমিটার গতিবেগে ফিলিপাইনের ক্যাটানডুয়ানেস প্রদেশে আঘাত হানে এই ঘূর্ণিঝড়টি। এরপর অ্যালবে, লুজন ও মেট্রো ম্যানিলা অতিক্রম করে রোববার রাত কিংবা সোমবার ভোর নাগাদ এই ঝড় ফিলিপাইন অতিক্রম করে চলে যাবে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহওয়া দফতর।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ২৪ ঘণ্টা আগে থেকেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ম্যানিলা আন্তজার্তিক বিমানবন্দর। ম্যানিলায় সবথেকে বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহওয়া পূর্বাভাস। এর আগেই অ্যালবে প্রদেশ ও লুজন আইল্যান্ড থেকে ১০ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তের সহযোগী ক্রিস্টোফার গো বলেন, কোভিড-১৯ নিয়ে আমরা কঠিন সময় পার করছি। এর ভেতর আরো একটি দুর্যোগ।

কুইজন প্রদেশের ইনফান্তা শহরের মেয়র ফিলিপিনো গ্রেস আমেরিকা ডিজেডবিবি রেডিওকে বলেন, মূল অঞ্চলগুলোতে এরইমধ্যে ত্রাণ সামগ্রী, ভারী যন্ত্রপাতি ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জাম প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে আমাদের পর্যাপ্ত তহবিল নেই।

উপকূলীয় ও ভূমিধসপ্রবণ এলাকা থেকে মানুষজনকে সরিয়ে নেয়া শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড় মোলাভির আঘাতে ফিলিপাইনে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেশিরভাগই ছিলেন রাজধানী ম্যানিলার দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশের বাসিন্দা। ঘূর্ণিঝড় গনিও একই পথ ধরে এগিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এর আগে ২০১৩ সালে হাইয়ানের পর এটিই সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। ওই সময় ৬ হাজার ৩০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।

(0)

Exit mobile version