Site icon changetv.press

পুরো দেশ লকডাউনের আহ্বান স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের

গোটা বিশ্ব যখন করোনা ভাইরাসের থাবায় অচল, তখনও বাংলাদেশ বেশ নিরাপদ বলে গত কয়েক দিনের রিপোর্টে দেখা যায়। কিন্তু হঠাত করে আজ ৪ জনের মৃত্যু এবং ৩৫ জনের দেহে করোনা সংক্রমিত হওয়ায় স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে জড়তি সকলে মতামত দিয়েছেন এখনি পুরো দেশ লকডাউন করতে।

বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞরা। পুরো দেশ লকডাউন এবং সরকারের শক্ত অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এদিকে এবিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক তাদের সঙ্গে একমত  হয়ে বলেছেন, আগামী ১০-১৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে তাদের আশ্বস্ত করেছেন।আজ  দুপুরে মহাখালীতে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্স (বিসিপিএস) এর অডিটোরিয়ামে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে তার বিস্তার বৃদ্ধি করছে। সুতরাং আগামী ১০ থেকে ১৫ দিন আমাদের সবার জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনভাবেই আগামী ১৫ দিন আমরা যেন কেউই অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হই। আর একান্তই যদি জরুরি কাজে বের হতেই হয় তাহলে মুখে মাস্ক ব্যাবহার না করে কেউই ঘরের বাইরে বের না হই সে ব্যাপারে আমাদের সবারই সচেতন থাকতে হবে।

গত প্রায় এক মাসে ধীরে ধীরে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও প্রায় জ্যামিতিক হারে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। গত তিন দিন ধরে ৯, ১৮ এবং সর্বশেষ ৩৫ জন আক্রান্তের সংখ্যায় বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সভায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের (নিমস) পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী দীন মোহাম্মদ বর্তমান পরিস্থিতে তার উদ্বেগ জানিয়ে এখনি দেশে শক্ত অবস্থান নেওয়ার অনুরোধ করেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আহমেদুল কবীর জানান, দেশে সামনে কঠিন সময় আসছে। এখনই পুরো দেশে লকডাউন করা জরুরি। এখনই পুরো দেশ লকডাউন না করা হলে এই ভাইরাস আগামী ১০ দিনে ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে। পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা দেশের মানুষের কথা বিবেচনা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে শক্ত অবস্থানে যাওয়ার অনুরোধ জানান, জানানো হয় মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে।

(44)

Exit mobile version