Site icon changetv.press

পরকীয়ার ভয়াবহতা নিয়ে আঞ্চলিক নাটক ‘শুকনো প্রেমের গল্প’

পৃথিবীর প্রত্যেকটি দেশে রয়েছে তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি। যা দিয়ে সে দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলা হয়। তেমনি করে বাংলাদেশেও রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। জাতীয়ভাবে পরিচিতির বাইরে রয়েছে কিছু আঞ্চলিক অজানা ইতিহাস। যা হয়ত সবসময় জাতীয়ভাবে সামনে আসে না কিংবা সাড়া পড়ে না।
সীমান্তবর্তী উপজেলা পাটগ্রাম তথা লালমনিরহাট জেলায় বেশকিছু দর্শনীয় স্থান ছাড়াও এখানকার মানুষদের একটা নিজস্ব ভাষা রয়েছে যা অনেক শ্রুতিমধুর ও আকর্ষনীয়।
সম্প্রতি সেখানকার ভাষাতেই নির্মাণ হয়েছে ‘শুকনো প্রেমের গল্প’। নাটকটি সম্পূর্ণ পাটগ্রামে চিত্রায়িত এবং স্থানীয় কয়েকজন প্রতিভাবান অভিনেতা দিয়ে ভাষাটাকে প্রমোট করার মধ্য দিয়ে গ্রামীণ সমাজের বাস্তব ঘটনাকে তুলে ধরা হয়েছে । এমনকি গল্পের নাট্যকার, প্রযোজক, পরিচালক সকলে স্থানীয়।
আঞ্চলিক ভাষার এই নাটকটির প্রধান চরিত্রে কাজ করেছেন স্থানীয় জনপ্রিয় অভিনেতা নুরুল্লাহ মিয়া। সহযোগী ও অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন পূজা, আরিফ, লাবলু, সোলায়মান, মাসুদ, বিপুল, সফিকুল ও মনসুর আলীসহ আরও অনেকে। কণ্ঠ ও বাঁশিতে শেখ সোলায়মান, দোতারায় শফিকুল ইসলাম।
নাটকটি রচনা ও পরিকল্পনায় শাহীদুজ্জামান লাবলু। তিনি বলেন, বর্তমান সমাজে পরকীয়া প্রেমে সাজানো-গোছানো সুখী দাম্পত্য পরিবারগুলো ভেঙ্গে খানখান হয়ে যাচ্ছে। মূলত পরকীয়ার ভয়াবহতা নিয়ে এবং বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষাকে নিয়ে এই নাটকের পটভূমি। এ অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষাকে নাটকের মাধ্যমে মিডিয়ার সামনে পরিচিত করা আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জনপ্রিয় আঞ্চলিক ভাষার মাঝে আমাদের এই আঞ্চলিক ভাষা স্থান পাক, এটিই আমার প্রত্যাশা।
শুকনো প্রেমের গল্প’র চিত্রনাট্যকার, পরিচালক ও প্রযোজক এস. আর. শাহীন বলেন, আমরা আমোদ ফুর্তি পরিবার বিশ্বাস করি, এই নাটকটির মাধ্যমে এখানকার সমৃদ্ধ ও আকর্ষনীয় চলিত ভাষা ছড়িয়ে পড়বে গোটা দেশে। সেই প্রত্যাশায় সবাইকে একবার হলেও নাটকটি দেখার আমন্ত্রণ রইলো। আশা করি ভালো লাগবে।
নাটকটি ইউটিউব চ্যানেল ‘আমোদ ফুর্তি’তে ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে।

(0)

Exit mobile version