প্রতিবেদনে জানানো হয়, ১৯৯৬ সালে গ্যাসের লাইন বসানো হয়। নিয়ম না মেনে ২০০০ সালে মসজিদের স্থাপনা তৈরী করা হয়।সেসময়ে গ্যাস লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লাইন অবৈধভাবে চাপা দেয়ার কারণে কারো চোখে পড়েনি।
তদন্ত কমিটির প্রধান আব্দুল ওয়াহাদ বলেন, তিতাস গ্যাসের নিয়ম কানুন না মেনে, অবহিত না করে গ্রাহক তাদের নিজ উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে তাদের রাইজারগুলো নরমালভাবে প্লাগ এবং সকেট দিয়ে স্থানান্তর করেছে। এটা ১৯৯৮ সালের ঘটনা।
আর আমাদের এই লাইনগুলো ১৯৯৬ সালে দূর্ঘটনাস্থলে নিচে বসানো ছিল, তারা আমাদের নিয়ম না মেনে আমাদের লাইনের নিচে দিয়ে বেইজমেন্ট করেছে। এছাড়া ২০০০ সালে নিয়ম না মেনেই মসজিদ স্থাপন করেছে। মসজিদটি তৈরি করার সময়ই তারা লাইনগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
তবে কোন সংস্থা বা গ্রাহক যেই দোষি হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।
এঘটনায় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের তদন্ত কমিটি বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। ২৪ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে ঘটনার জন্য কে দায়ী সে বিষয়ে চুড়ান্ত করে কিছু বলা হয়নি।
(0)

