Site icon changetv.press

ডিজিটাল গরুর হাট

করোনা প্রতিরোধে সশরীরে কোরবানির পশুর হাট এড়ানোর লক্ষ্যে আজ রোববার বেলা ১১টায় ‘ডিজিটাল গরুর হাট’র উদ্বোধন করা হয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বেচাকেনা করতে উৎসাহ দিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এ উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে এ হাটের উদ্বোধন করবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
জানা গেছে, করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, আইসিটি ডিভিশন, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে এ ‘ডিজিটাল গরুর হাট’ বাস্তবায়ন করবে। ক্রেতারা চাইলে ‘ডিজিটাল গরুর হাট’ থেকে ন্যায্যমূল্যে কোরবানির পশু ক্রয় করতে পারবেন। এখান থেকে পশু কিনলে কোনো হাসিল দিতে হবে না।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, অনলাইনে যারা কোরবানির ডিজিটাল হাট থেকে গরু কিনবেন তাদের ডিএনসিসিতে কোনো হাসিল দিতে হবে না। তবে যারা হাটে গিয়ে সশরীরে গরু কিনবেন তাদের অবশ্যই হাসিল দিতে হবে।
মেয়র আতিকুল ইসলাম আরো বলেন, আমাদের কাছে প্রায় ২৫টি ফ্রিজাপ ভ্যান আছে, গরু জবাই করার পর মাংস বাসায় পৌঁছে দেবো। এসব গরু জবাইয়ের জন্য আমরা একটি জায়গা নির্ধারণ করেছি। সেখানে এক হাজার গরু কোরবানি করা যাবে। ডিএনসিসির ডিজিটাল হাট থেকে যারা গরু কিনবেন তারা বুকিং দিলে আমরা কোরবানি করে তাদের বাসায় পৌঁছে দিতে পারব। গরু কোরবানির সার্বিক কার্যক্রম একজন ক্রেতা অনলাইন ক্যামেরার মাধ্যমে দেখতে পারবেন। এক হাজার গরু কোরবানির জন্য এই সার্ভিস আমরা দিতে পারব।
তিনি বলেন, এবারের ডিজিটাল হাটে স্ক্রো পদ্ধতি মানা হবে। এটার মাধ্যমে যিনি গরুটা কিনবেন সেই টাকা তাৎক্ষণিক বিক্রেতা পাবেন না। এটা চলে যাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি একাউন্টে। যখন ক্রেতা কনফার্ম করবেন গরুটা পেয়েছেন এবং কোনো অভিযোগ নেই তখন গরুর বিক্রেতা টাকা পাবেন। এই স্ক্রো পদ্ধতিটা আমরা এবার এই ডিজিটাল হাটে যুক্ত করেছি।
এবারের ডিজিটাল হাটের আরও জনসম্পৃক্ত করার আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, গতবার ডিজিটাল হাটে ৩ সপ্তাহে আমরা বিক্রি করেছিলাম ২৭ হাজার গরু। আর এবার এক লাখ গরু অনলাইনে বিক্রি করার টার্গেট রয়েছে। এক লাখ গরু বিক্রি করতে পারলে প্রায় ৫ লাখ মানুষকে আমারা হাটে আসা থেকে বিরত রাখতে পারব।

(0)

Exit mobile version