Site icon changetv.press

জমকালো আয়োজনে সাদার্নে ৩৬ তম ব্যাচের ‘র‌্যাগ ডে’

কালো নয়, নয় লাল শুধু ধবধবে সাদা টি-শার্ট। বিশ্ববিদ্যালয়ে কাটানো বন্ধুদেরও লেখায় ভরে গেছে। কেউ একজন লিখেছে ‘ভালো থেকো বন্ধু’। আরেকজন লিখেছে ‘আর কেউ মনে না রাখুক, তুই রাখিস’।

এভাবেই মনের অজানা কথাগুলো প্রিয় সহপাঠীদের সাদা টি-শার্ট লিখে দিয়েছে বন্ধুরা। বিদায় বেলা সেটা দেখে মনে না রাখার কি উপায় আছে? এই হচ্ছে ‘র‌্যাগ ডে’।

সাদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, ঘুরাঘুরি, ক্লাস অ্যাসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন নিয়ে দৌড়াদৌড়ি এভাবেই পার হয় জীবনের সব থেকে সেরা দিনগুলো। কখন যে সময় চলে যায় কেউ টেরই পায় না। চার বছর পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেজে উঠে বিদায়ের ঘণ্টা।

শীতের সকাল রৌদ্রের আনাগোনা আবার ঠাণ্ডা বাতাস শরীরে লাগছে। এমন সময় বিদায় নেওয়ার জন্য সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। এখন বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু।

আনন্দ-উচ্ছ্বাস, রঙে-রূপে এক অপরূপ সাজে সজ্জিত হয়ে ৩ ডিসেম্বর মঙ্গলবার শিক্ষা সমাপনী উৎসব (র‌্যাগ ডে’র) আনন্দে মেতে উঠেছিল সাদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৩৬ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের খোলা মাঠে আনন্দঘন পরিবেশে এই শিক্ষা সমাপনী উৎসব (র‌্যাগ ডে) উদযাপন করা হয়।

র‌্যাগ ডে উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর সরওয়ার জাহান স্যার এবং আইন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ এবং ৩৬ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর পরই শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে সবুজে ঘেরা ঘাসের উপর একটি ‘ফ্ল্যাশ মুভ’ পরিবেশন করার মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু করে। একজন বিদায়ী শিক্ষার্থীর অনুভূতি জানতে চাইলে ৩৬ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবসানা হাবীবা ইমু বলেন, “আজকে মনে হচ্ছে এই তো সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলাম কিন্তু দেখতে দেখতে যে ৪ টা বছর কেটে গেল টেরও পেলাম না। বন্ধুবান্ধবদের সাথে অনেক স্মৃতি যা কখনো ভুলার নয়”।

অনুষ্ঠানের শেষ ভাগে ছিলো মনোরম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নাচ, গান, কবিতা আবৃত্তি এবং ব্যান্ড গানের মধ্যে দিয়ে পুরো ক্যাম্পাস চত্বর উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনন্দে মেতে উঠেছিল বিভাগের অন্যান্য ব্যাচের শিক্ষার্থীরাও। এসময় একে অপরের সঙ্গে ছবি তোলার মধ্য দিয়ে বিদায়ের শেষ ঘণ্টা বেজে যায়।

(143)

Exit mobile version