fbpx

বাংলাদেশের প্রথম ভিডিও নিউজ পোর্টাল

মঙ্গলবার, ১২ই নভেম্বর, ২০১৯; ২৮শে কার্তিক, ১৪২৬; ১৩ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১
হোম অনুসন্ধান হেযবুতের সেলিমের বিরুদ্ধে ইসলামকে বিকৃত করার অভিযোগ
হেযবুতের সেলিমের বিরুদ্ধে ইসলামকে বিকৃত করার অভিযোগ

হেযবুতের সেলিমের বিরুদ্ধে ইসলামকে বিকৃত করার অভিযোগ

3.67K
0

১৯৯৫ সালে মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী হেযবুত তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করেন। হেযবুত তওহীদের সর্বোচ্চ নেতাকে ‘এমাম’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। ২০১২ সালে মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নীর মৃত্যুর পর নোয়াখালী জেলার হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম সংগঠনটির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম ২৮ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি থানার পোরকরা গ্রামের এক অতি সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা জনাব নুরুল হক এবং মাতা হোসনে-আরা বেগম। তিনি স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পর পার্শ্ববর্তী বিপুলাসার আহম্মদ উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৯ সালে এস.এস.সি পাশ করেন। লাকসাম নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজ থেকে ১৯৯১ সালে এইচ.এস.সি এবং একই কলেজ থেকে ১৯৯৩ ইং সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক পাশ করেন । তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৬-৯৭ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।

স্কুল জীবনেই তিনি শিবিরের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। স্থানীয়ভাবে সোনাইমুড়ীতে শিবিরের দায়িত্বও পালন করেন। স্নাতক পড়াকালীন তার বিরুদ্ধে সংগঠনবিরোধী তৎপরতার অভিযোগ এনে বহিষ্কার করে শিবির। এরপর ১৯৯৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে টাঙ্গাইলে হিযবুত তাওহীদের প্রতিষ্ঠাতা পন্নীর সংস্পর্শে আসেন। কিছুদিনের মধ্যেই তিনি পন্নীর স্নেহের পাত্রে পরিণত হন এবং সার্বক্ষণিক সঙ্গী হয়ে ওঠেন। প্রতিদান হিসেবে পন্নী তাকে প্রধান সহযোগীর দায়িত্ব দেন।

২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি পন্নীর মৃত্যুর পর হেযবুত তওহীদের এমামের দায়িত্ব পান ।

সেলিমের মতে, “হেযবুত তওহীদ সরাসরি পরিচালনা করেন মহান আল্লাহ।”

হেযবুত তাওহীদের ওয়েবসাইটে বলা হয়ে, “সময়ের প্রয়োজনে মহান আল্লাহ হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমাম জনাব হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমকে গত সাড়ে তিন বছরে অনেক নতুন নতুন উপলব্ধি দান করেছেন। কখনো স্বপ্নের মাধ্যমে, কখনো আল্লাহর সৃষ্টিকে অবলোকন করে, কখনো চিন্তা-ভাবনা করে কখনো বা অবচেতন মনেই তিনি উপলব্ধিগুলি করেছেন।”

যদিও হেযবুত তওহীদ জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা এবং অপ-রাজনীতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে বলে নিজেদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে বিবৃত দিয়েছে কিন্তু বিভিন্ন সময় এই দলের কর্মসূচি প্রশ্নবিদ্ধ হয়। ২০০৮ সালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকায় কালো তালিকাভুক্ত হয় সংগঠনটি। ২০১৪ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংগঠনটিকে কালো তালিকাভুক্ত করে চিঠি জারি করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকও এ বিষয়ক সতর্কতা জারি করে সংগঠন ও এর অঙ্গ সংগঠনের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলে। বিভিন্ন সময় সংগঠনটি নিষিদ্ধ করার কথাও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানা যায়।

মোহাম্মদ সেলিমের বিরুদ্ধে ইসলাম মূল ৫ স্তম্ভ ঈমান, নামাজ, রোজা, হজ, যাকাতকে বিকৃত করার অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে সংগঠনটি তাদের প্রচারে কাজে নারীদেরকে ব্যাপকহারে ব্যবহার করছে।

(3673)

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
45

LEAVE YOUR COMMENT

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।